মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স - এ অবস্থিত একটি সেবধর্মী প্রতিষ্ঠান।

১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহন ও প্রজস্বত্ব আইনের অধীন প্রণীত প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ এর বিধিান অনুসারে ভূমি রেকর্ড ও জরিপের কাজসমূহ স্তর ভিত্তিক সম্পাদিত হয়ে থাকে। রেকর্ড প্রনয়ন ও নক্শা প্রস্ত্তত কাজে নিয়োজিত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীর সাথে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প অফিসে অথবা উপজেলায় অবস্থিত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে ভূমি মালিক গণ কাঙ্খিত সেবা গ্রহণ করতে পারেন। নিম্ন বর্ণিত কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ জরিপের স্তর সমূহে যথা নিয়মে সেবা গ্রহণে নিয়োজিত রয়েছে।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

  1.  জরিপকালীন তসদিক (attestation)সমাপ্তির পর তসদিক কাজটি যথাযভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য ৩০ কার্যদিবস নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে কোন প্রকার ভূল/ভ্রান্তি দেখা দিলে তা সংশোধনের জন্য আপত্তি দাখিলের ব্যবস্থা নিবেন এবং ২০/-টাকার কোর্ট ফি সহ আবেদন করিবেন।

 

  1.  আপত্তির রায়ে সংক্ষুব্দ নাগরিক আপত্তি মামলার রায়ের কপি সংগ্রহ করে ৩১ বিধি মোতাবেক আপীল মামলা  

দায়ের করবেন। আপীল মামলা দায়ের করতে আপত্তির রায়ের সহি মোহর নকল নির্ধারিত ফরমে আবেদন ও ২০/- কোর্ট ফি দিবেন।

 

  1.  ৩১ বিধি সমাপ্তির পর চুড়ান্ত যাঁচ শেষে মুদ্রণের জন্য প্রেসে প্রেরণ করা হয়। প্রেস হতে রেকর্ড ও নকশা প্রাপ্তির পর তা জনগনের মধ্যে বিতরন করা হয়। এক্ষেত্রেও  সরকার নির্ধারিত প্রতিটি মুদ্রিত খতিয়ান ৬০/-টাকা এবং প্রতিটি মুদ্রিত নকশা ৩৫০/-টাকা জমা দিয়ে অফিস থেকে সংগ্রহ যায়। তবে এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যে, মুদ্রিত রেকর্ড ও নকশা বিতরনের পূর্বে ব্যাপক প্রচারনা চালাতে হয়।

 

  1.  আপীল মামলার সংক্ষুব্দ পক্ষ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল ও আপীলেট ট্রাইব্যুনালে যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে মৌজা রেকর্ড চুড়ান্ত প্রকাশনা সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ০১ বছরের মধ্যে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল/দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার প্রার্থনা করা যাবে।

 জরিপ কাজ শুরুর পূর্বে স্থানীয় এলাকায় মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপনসহ ভূমি মালিকগনের মধ্যে ব্যাপক গণসংযোগ এবং জমির আইল/সীমানা চিহ্নিত করার জন্য অবহিত করা হয়। এক্ষেত্রে ভূমির মালিকগণকে মালিকানা কাগজপত্র, খাজনার দাখিলা, দখল ইত্যাদি প্রদর্শন করতে হয়।

 

 বর্তমান ডিজিটাল পদ্ধতিতে জরিপ কাজ পরিচালনার জন্য সরকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় । এ পদ্ধতিতে

কিস্তোয়ার, খানাপুরী ও বুজারত কাজ একই সাথে সম্পন্ন করার সিন্ধান্ত গৃহীত হয়। এক্ষেত্রে ভূমির মালিকগণকে মালিকানা কাগজপত্র, খাজনার দাখিলা, দখল ইত্যাদি প্রদর্শন করতে হয় এবং সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তা/ কর্মচারীকে সহায়তা করতে হয়।

 

 তসদিক পর্যায়ের কাজ আরম্ভ করার পূর্বে সকল অফিস আদালত স্থানীয় স্কুল/মসজিদ/মাদ্রাসা/মন্দির সহ সকল প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রচারণার পর উক্ত স্তরের কাজ শুরু করা হয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ঠ ভূমি মালিককে তার ভূমি সংক্রান্ত দলিল/দস্তাবেজ/খাজনার দাখিলাসহ মাঠ পর্যায়ে প্রাপ্ত খতিয়ান নিয়ে নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত হতে হয়।

 

 তসদিক সমাপ্তির পর তসদিক কাজটি যথাযভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য ৩০ কার্যদিবস নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে কোন প্রকার ভূল/ভ্রান্তি দেখা দিলে তা সংশোধনের জন্য আপত্তি দাখিলের ব্যবস্থা নিবেন এবং ২০/-টাকার কোর্ট ফি সহ আবেদন করিবেন।

 

 আপত্তির রায়ে সংক্ষুব্দ নাগরিক আপত্তি মামলার রায়ের কপি সংগ্রহ করে ৩১ বিধি মোতাবেক আপীল মামলা  

দায়ের করবেন। আপীল মামলা দায়ের করতে আপত্তির রায়ের সহি মোহর নকল নির্ধারিত ফরমে আবেদন ও ২০/- কোর্ট ফি দিবেন।

 

 ৩১ বিধি সমাপ্তির পর চুড়ান্ত যাঁচ শেষে মুদ্রণের জন্য প্রেসে প্রেরণ করা হয়। প্রেস হতে রেকর্ড ও নকশা প্রাপ্তির পর তা জনগনের মধ্যে বিতরন করা হয়। এক্ষেত্রেও  সরকার নির্ধারিত প্রতিটি মুদ্রিত খতিয়ান ৬০/-টাকা এবং প্রতিটি মুদ্রিত নকশা ৩৫০/-টাকা জমা দিয়ে অফিস থেকে সংগ্রহ যায়। তবে এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যে, মুদ্রিত রেকর্ড ও নকশা বিতরনের পূর্বে ব্যাপক প্রচারনা চালাতে হয়।

 

 আপীল মামলার সংক্ষুব্দ পক্ষ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল ও আপীলেট ট্রাইব্যুনালে যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে মৌজা রেকর্ড চুড়ান্ত প্রকাশনা সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ০১ বছরের মধ্যে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল/দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার প্রার্থনা করা যাবে।

ছবি নাম মোবাইল
আবু আহম্মদ 01711161798

ছবি নাম মোবাইল
আবু আহম্মদ 01711161798

ছবি নাম মোবাইল

0

উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স-এ অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানে আসতে হলে দাগনভূঞা বাজার জিরো পয়েন্ট থেকে রিক্সা অথবা সিএনজি অটো রিক্সাযোগে ফেনী রোডে প্রায় এক কিলোমিটার আসতে হবে। ভাড়া ৫-১০ টাকার মধ্যে।

 

আবু আহম্মদ

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

দাগনভূঞা।

মোবাইল : ০১৭১১১৬১৭৯৮