মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম স্মৃতি জাদুঘর

ফেনী শহর বা ফেনীর মহিপাল মোড় থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে ফেনী-নোয়াখালী সড়কের ডান পাশে মাতুভূঞা ব্রিজের কাছেই তৎকালীন লক্ষণপুর গ্রাম, বর্তমানে সালামনগর -এ ভাষা শহীদ আবদুস সালাম গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর আবস্থিত ।ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কের মহিপাল মোড় থেকে মাত্র ৮ বা ১০টা বাস ভাড়া। সিএনজি চালিত রিক্সায় ৫০ থেকে ৭০ টাকা লাগে।

আবদুস সালাম এর জন্মঃ ১৯২৫ সালেফেনীদাগনভূঁইয়া উপজেলার লক্ষ্মণপুর গ্রামে; মৃত্যুঃএপ্রিল ৭, ১৯৫২ সালে) মহানভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। ভাষা রক্ষায় তাঁর অসামান্য ভূমিকা ও আত্মাহুতিরকারণেইপরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে জাতীয় চেতনায় উজ্জ্বীবিত ও দেশপ্রেমেউদ্বুদ্ধকরে। এ চেতনার ফলেই১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমেবাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।[১]

পরিবার ও কর্মজীবনঃ তাঁর পিতার নাম মোহাম্মদ ফাজিল মিয়া। আবদুস সালাম কর্মজীবনেতৎকালীনপাকিস্তান সরকারের ডিরেক্টরেট অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগের 'পিয়ন' হিসেবেকর্মরত ছিলেন।ঢাকার নীলক্ষেত ব্যারাকের ৩৬বি নং কোয়ার্টারে বাস করতেন।

ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণঃ বাংলা ভাষাকেপাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বায়ান্নোর২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভে অংশ নেন। পরে ছাত্র-জনতারউপরপুলিশ এলোপাথাড়িভাবে গুলি চালালে আবদুস সালাম গুলিবিদ্ধ হন। আহতঅবস্থায়ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। দেড় মাসচিকিৎসাধীনথাকার পর৭ এপ্রিল, ১৯৫২ তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।[২]

সম্মাননাঃ মহান ভাষা আন্দোলনে আবদুস সালাম অনবদ্য ভূমিকা রাখায়বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ২০০০ সালেএকুশে পদক (মরণোত্তর) প্রদান করেন।

  • ফেনী স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে ২০০০ সালে 'ভাষা শহীদ সালাম স্টেডিয়ামে' রূপান্তর করা হয়।
  • দাগনভুঞা উপজেলা মিলনায়তনকে ২০০৭ সালে 'ভাষা শহীদ সালাম মিলনায়তন' করা হয়।
  • তাঁর নিজ গ্রাম লক্ষ্মণপুরের নাম পরিবর্তন করে 'সালাম নগর' রাখা হয়।

আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন......